বাড়িতে লোক আছে ৫ জন, খাবার কিনলাম ৩ জনের জন্য। এক্ষেত্রে কী ঘটবে? নিজেদের মধ্যে তা ভাগ করে খেতে হবে- সবাই আধপেটা; না হয় ২ জনকে না খেয়ে থাকতে হবে। এমন ঘটে থাকে অনেক দেশেই- হয় ইচ্ছাকৃত, না হয় জানেই না প্রয়োজন কতটুকু! তাইতো ডাটা ছাড়া অনেক কিছুই মেলানো যায় না।
তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এমন ডাটা বা উপাত্ত পাওয়া যায় যার সাথে বাস্তবের কোন মিল নেই। যেমন, পুকুর এলাকায় শাইল ধানের চাষ। তাইতো রসিকতা করে কেউ কেউ বলে থাকেন- সব ডাটা দিয়ে তরকারি রান্না করা যায় না (চিত্র নং- ১)।
চিত্র নং- ১: সকল ডাটায় যেমন রান্না হয় না, তেমনি সকল উপাত্ত গ্রহণযোগ্য নয়!
পরিসংখ্যানের আদি কথা
সুইজারল্যান্ড ১৮৫০ সালে সুইস পরিসংখ্যানের পথিকৃৎ ফেডারেল কাউন্সিলর স্টেফানো ফ্রান্সসিনির নির্দেশনায় প্রথম আদমশুমারি পরিচালনা করে। ১৮৪৮ সালে ফেডারেল রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার পরপরই শুরু হওয়া এই আদমশুমারির লক্ষ্য ছিল জনসংখ্যার একটি বিস্তৃত চিত্র প্রদান করা।
বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস
বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস প্রথম পালিত হয়েছিল ২০ অক্টোবর ২০১০। প্রথম বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবসটি ১৩০টিরও বেশি দেশ এবং অঞ্চলে পালিত হয়েছিল। প্রতি পাঁচ বছর অন্তর এই দিবসটি পালিত হয়।
বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস পালনের মূল উদ্দেশ্য হলো বিশ্বব্যাপী পরিসংখ্যানের গুরুত্ব তুলে ধরা, তথ্যভিত্তিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করা এবং উন্নয়নের অগ্রগতি পরিমাপের জন্য সঠিক, নির্ভরযোগ্য ও সময়োপযোগী ডেটার গুরুত্ব বোঝানো।
২০২৫ সনের বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবসের মূল প্রতিপাদ্য হলো “সকলের জন্য মানসম্পন্ন পরিসংখ্যান এবং তথ্য।” বর্তমান প্রবন্ধে আমি পরিসংখ্যানের গুরুত্ব এবং তা মানব সমাজের কল্যানে কীভাবে ব্যবহার করা যায় তা নিয়ে আলোচনা করবো।
পরিসংখ্যানের ভূমিকা সমাজ অর্থনীতি ও পরিবেশে তথ্যের প্রভাব
পরিসংখ্যানের মাধ্যমে আমরা সমাজের বিভিন্ন দিক বিশ্লেষণ করি। যেমন- পুরষ ও মহিলার অনুপাত, যুবক-যুবতীদের সংখ্যা, প্রবীণ জনসংখ্যা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও পরিবেশগত তথ্য-উপাত্ত। এগুলোর মাধ্যমে আমাদের সমাজের বর্তমান অবস্থা বোঝা যায় এবং ভবিষ্যতের পরিকল্পনা নেওয়া হয়।
অর্থনৈতিক উন্নয়নে পরিসংখ্যান
অর্থনৈতিক উন্নয়নে পরিসংখ্যানের গুরুত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক ও সময়োপযোগী ডেটা ছাড়া দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের ধারণা নেওয়া সম্ভব নয়। আর সঠিক তথ্য না থাকলে পরিকল্পনার পরি উড়ে যায়, থাকে শুধু কল্পনা!
উদাহরনস্বরূপ, দারিদ্র্য হ্রাস কৌশল অবলম্বন করতে হলে সঠিক তথ্য ছাড়া তা দক্ষতার সাথে সম্পন করা করা অসম্ভব। কোথায় সম্পদের সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তা জানা না থাকলে দারিদ্র্য বিমোচন সম্ভব নয়। সম্পদের অপচয় হবে এবং ধনী আরো ধনী হবে।
পরিসংখ্যানের মাধ্যমে কোন দেশের মোট উৎপাদন, বাজেট পরিকল্পনা, কর্মসংস্থান, মূল্যবৃদ্ধি, মুদ্রাস্ফীতি, বৈদেশিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ, এবং অন্যান্য অর্থনৈতিক সূচকের সঠিক মূল্যায়ন করা যায়। এগুলোর ভিত্তিতে সরকার ও নীতিনির্ধারকরা কার্যকর সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, যা দেশের অর্থনৈতিক অগ্রগতি নিশ্চিত করে।
উদাহরণস্বরূপ- বাংলাদেশের জাতীয় পরিসংখ্যান ব্যুরো (BBS) এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী ২০২৩ সালে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ৫.৭৮% ছিল। এই তথ্যের ভিত্তিতে সরকার সামাজিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা শক্তিশালীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তনের বিবেচনাকে পরিকল্পনায় একীভূত করা এবং ভবিষ্যতের কর্মীবাহিনীর দক্ষতা বৃদ্ধির মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির জন্য বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প চালু করে।
বৈদেশিক ঋণ ও বিনিয়োগের পরিমাণ, রপ্তানি-আমদানির ডেটা বিশ্লেষণ করে দেশের অর্থনীতির স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়। উদাহরনস্বরূপ, ২০২৪ সালে বাংলাদেশের মোট নেট এফডিআই প্রবাহ ছিল ১.২৭ বিলিয়ন ডলার এবং ২০২৫ সালের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে নেট এফডিআই বেড়ে ৮৬৪.৬৩ মিলিয়ন ডলার হয়েছে।
তথ্য-ভিত্তিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরি এবং উন্নত-জ্ঞাত সিদ্ধান্ত এবং কৌশলগত পরিকল্পনার মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করে দারিদ্র্য হ্রাস এবং জীবিকা উন্নত করতে সহায়তা করে।
পরিবেশ সংরক্ষণে ডেটার গুরুত্ব
পরিবেশ সংরক্ষণে ডেটার গুরুত্ব অত্যন্ত ব্যাপক ও অপরিহার্য। বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তন, বৈশ্বিক উষ্ণতা, বন্যা, ঝড়, দূষণ এবং জীববৈচিত্র্যের ঘাটতিরোধে ডেটার ভূমিকা অসীম। সঠিক ও সময়োপযোগী পরিবেশ সংক্রান্ত ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে আমরা প্রকৃতির বর্তমান পরিস্থিতি বুঝতে পারি এবং কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে পারি।
উদাহরণস্বরূপ, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব নির্ণয়ে বৈশ্বিক এবং আঞ্চলিক স্তরে ডেটা সংগ্রহ করা হয়। এই ডেটার ভিত্তিতে দেখা যায়, গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে সমুদ্রের উচ্চতা বৃদ্ধির হার জানা যাচ্ছে। NOAA এর তথ্যানুযায়ী বর্তমানে সমুদ্র পৃষ্ঠের উচ্চতা প্রতি বছর প্রায় ৩.৬ মিলিমিটার হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমন পরিস্থিতি থেকে পরিত্রান পেতে হলে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় তলিয়ে যাবে নীচু এলাকার অনেক দেশ।
বিশ্ব আবহাওয়া সংস্থা গবেষণায় দেখা গেছে যে, ১৯৭০ থেকে ২০২০ সালের মধ্যে পৃথিবীর গড় তাপমাত্রা প্রায় ১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর চেয়ে বেড়েছে। এর ফলে সমুদ্রের স্তর বাড়ছে, যা উপকূলীয় এলাকা ও বাসিন্দাদের জন্য হুমকি সৃষ্টি করছে। এই ডেটা ব্যবহার করে সরকার ও আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলায় নীতি নির্ধারণ ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব।
আরেকটি উদাহরণ হলো বায়ু দূষণ নিয়ন্ত্রণ। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে ২০২৩ সনে ২.১ বিলিয়ন পরিবার দূষিত জ্বালানি এবং রান্নায় ত্রুটিপূর্ণ প্রযুক্তির কারণে বায়ু দূষনে আক্রান্ত হয়। তদুপরি শীতকালে বৃায়ু দূষণ বেড়ে গিয়ে ফুসফুসের ক্যান্সার বা জটিল রোগ দেখা দিতে পারে। এমন ক্ষেত্রে কখনো কখনো স্কুল, অফিস, আদালত, ইত্যাদিতে ছুটি ঘোষণার প্রয়োজন হতে পারে। অর্থাৎ তথ্যের ভিত্তিতে প্রযোজনীয় নীতিমালা ও নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।
কোন প্রকল্পের কার্যাদি বা মনুষ্যজনিত কাজের ফলে পরিবেশেষের উপর কোন বিরূপ প্রভাব পড়ছে কিনা তা জানার জন্য উপাত্ত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ করা হয় এবং তার প্রতিকার সম্পর্কিত সিদ্ধান্ত দেয়া হয়। ফলে তা অধিকতর কার্যকর ও কার্যক্ষম হয়। ফলে পরিবেশের স্বাভাবিক ভারসাম্য রক্ষা, জীববৈচিত্র্য সংরক্ষণ ও প্রাকৃতিক সম্পদ রক্ষা সম্ভব হয়।
প্রযুক্তির অগ্রগতি ও পরিসংখ্যানের ভবিষ্যৎ
বর্তমান যুগে প্রযুক্তি দ্রুত বদলে যাচ্ছে এবং তার সাথে পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রেও এসেছে বিপ্লব। বড় ডেটা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, মেশিন লার্নিং এর মাধ্যমে ডেটা সংগ্রহ ও বিশ্লেষণ আরো দ্রুত ও নির্ভুল হচ্ছে। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী ডেটা বিশ্লেষণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হয়েছে।
বিগ ডাটা এনালাইসিস
বিগ ডাটা এনালাইসিস হলো বিশাল ও জটিল ডেটা সেটের বিশ্লেষণ, যা সাধারণ প্রযুক্তি ও পদ্ধতিতে পরিচালনা সম্ভব নয়। এটি ব্যবহার করে বিভিন্ন ক্ষেত্রের তথ্য বিশ্লেষণ, প্রবণতা নির্ণয়, ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়তা করে।
উদাহরণস্বরূপ, স্বাস্থ্যসেবায় রোগের ঝুঁকি নির্ণয়, ও পরিবেশের পরিবর্তন পর্যবেক্ষণে বিগ ডাটা বিশ্লেষণ গুরুত্বপূর্ণ। তদুপরি বৃহৎ তথ্য বিশ্লেষণ এমন অন্তর্দৃষ্টি প্রদান করতে পারে যা গ্রাহকের পছন্দ জানতে এবং চতুর ব্যবসায়িক কৌশল নিতে সহায়তা করে।
মেশিন লার্নিং
AI-এর একটি উপসেট হলো মেশিন লার্নিং যা অ্যালগরিদম এবং পরিসংখ্যানগত মডেল ব্যবহার করে স্পষ্ট নির্দেশাবলী ব্যবহার না করেই কম্পিউটারগুলিকে নির্দিষ্ট কাজ সম্পাদন করতে দেয়। পরিবর্তে তারা ডেটা থেকে প্রাপ্ত প্যাটার্ন এবং অনুমানের উপর নির্ভর করে। ভবিষ্যদ্বাণীমূলক মডেল তৈরি এবং বৃহৎ এবং জটিল ডেটা সেট বোঝার জন্য অপরিহার্য।
বিভিন্ন ধরনের মেশিন লার্নিং মডেল রয়েছে। যেমন- Naïve Bayes, Logistic regression, K-nearest neighbor (KNN), Support vector machines (SVMs), Common regression algorithms (Linear regression, Decision tree, State space models), ইত্যাদি। এ সকল মেশিন লার্নিং মডেল ব্যবহার করে ইমেল স্প্যাম চিহ্নিতকরণ, চেহারা স্বীকৃতি, ভাষা অনুবাদ, ইত্যাদি। এটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হয় এবং প্রযুক্তি, ব্যবসা, স্বাস্থ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মেশিন লার্নিং দ্রুত পরিবর্তনশীল তথ্যের ভিত্তিতে অটোমেটেড সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
এমন একটি সিস্টেম বা মেশিনগুলিকে বোঝায় যা মানুষের বুদ্ধিমত্তার অনুকরণ করে কাজ সম্পাদন করে। তারা যে তথ্য সংগ্রহ করে তার উপর ভিত্তি করে নিজেদেরকে পুনরাবৃত্তিমূলকভাবে উন্নত করতে পারে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ ক্ষেত্র বিশাল- রোবোটিক প্রক্রিয়ার অটোমেশন থেকে শুরু করে প্রকৃত রোবোটিক্স এর অন্তর্ভুক্ত করে।
সমস্যা মোকাবেলা এবং আরো দক্ষ এবং অভিযোজিতভাবে কাজ সম্পাদনের জন্য নতুন উপায় প্রদানের ক্ষেত্রে এটি অপরিহার্য হয়ে উঠেছে। যেমন- ভার্চুয়াল সহকারী হিসেবে সিরি, অ্যালেক্সা এবং গুগল সহকারী ভয়েস কমান্ড বুঝতে এবং সাড়া দিতে, রিমাইন্ডার সেট করতে এবং স্মার্ট হোম ডিভাইসগুলি নিয়ন্ত্রণ করতে AI ব্যবহার করে (চিত্র নং- ২)।
চিত্র নং- ২: কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সাহায্যকারি
ভবিষ্যতে এই প্রযুক্তিগুলো আরো উন্নত হয়ে আমাদের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে। যেমন স্বাস্থ্য, পরিবেশ, শিক্ষা, ও অর্থনীতি। তাই, তথ্যের এই শক্তিশালী হাতিয়ারকে কাজে লাগিয়ে আমাদের আরো সমৃদ্ধ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে হবে।
বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবসের গুরুত্ব ও ভবিষ্যতের দিকনির্দেশনা
প্রতিবছর ২০ অক্টোবর বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস হিসেবে পালিত হয়। দিবসটি উদযাপনের মাধ্যমে বিশ্বব্যাপী পরিসংখ্যানের প্রয়োজনীয়তা ও তাৎপর্য তুলে ধরা হয়। প্রথমত, পরিসংখ্যান সাহায্য করে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান, নীতিনির্ধারণ ও উন্নয়নের পরিকল্পনা করতে।
দ্বিতীয়ত, বর্তমান সময়ে তথ্যপ্রযুক্তির দ্রুত উন্নয়নের ফলে পরিসংখ্যানের ভূমিকা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। বিগ ডাটা, আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, মেশিন লার্নিং এর মতো প্রযুক্তির সাহায্যে বিশ্লেষণ আরও দ্রুত ও আরও নির্ভুল হয়ে উঠছে।
ভবিষ্যতে উন্নত প্রযুক্তির সাহায্যে বৃহৎ ডেটা বিশ্লেষণ সম্ভব হবে। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স ও মেশিন লার্নিং এর মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয় বিশ্লেষণ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণের প্রক্রিয়া আরো উন্নত হবে। তবে অনলাইন ও ডেটা ব্যবহারে স্বচ্ছতা ও গোপনীয়তার বিষয়গুলোতে গুরুত্ব দিতে হবে।
প্রশ্নোত্তর
এই দিনটি কেন ২০ অক্টোবর নির্ধারণ করা হয়েছে?
কারণ এই তারিখে জাতিসংঘের পরিসংখ্যান সংস্থা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।
পরিসংখ্যানের মাধ্যমে কোন ক্ষেত্রগুলো উন্নত হয়?
সমাজ, অর্থনীতি, পরিবেশ, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা।
বর্তমানে কোন প্রযুক্তি ডেটা বিশ্লেষণে বিপ্লব ঘটাচ্ছে?
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, বড় ডেটা, মেশিন লার্নিং।
বিশ্বব্যাপী ডেটা সংগ্রহের জন্য কোন সংস্থা কাজ করে?
জাতিসংঘের পরিসংখ্যান বিভাগ ও বিশ্বব্যাংক।
ভবিষ্যতে পরিসংখ্যানের ক্ষেত্রে কোন প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ হবে?
অ্যালগরিদম, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও ডেটা অ্যানালিটিক্স।
অতুলনীয় ক্লাইম্যাক্স: তথ্যের শক্তি, উন্নয়নের মূল চাবিকাঠি
বিশ্ব পরিসংখ্যান দিবস আমাদের শেখায় যে, তথ্যের গুরুত্ব কতখানি। এটি শুধু সংখ্যার সমাহার নয়, বরং ভবিষ্যতের দিশা দেখানো এক শক্তিশালী হাতিয়ার। সঠিক ও সময়োপযোগী ডেটা আমাদের সমাজ, অর্থনীতি, পরিবেশ ও স্বাস্থ্য খাতের উন্নয়নে অবিচ্ছেদ্য অংশ।
এই দিনটি শুধু উদযাপনের নয়, বরং সকলে একত্রিত হয়ে ডেটার মাধ্যমে উন্নয়নের অগ্রগতি ত্বরান্বিত করার আহ্বান। ডেটা বিশ্লেষণে সঠিকতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর মাধ্যমে আমরা এক সমৃদ্ধ ও টেকসই ভবিষ্যৎ গড়ে তুলতে পারি।